পাহাড়ে রাজভবনে বসে উত্তরবঙ্গ বিভাজনের ষড়যন্ত্রকে মদত দিচ্ছেন রাজ্যপাল, গৌতম দেব
দি নিউজ লায়ন; পাহাড়ে রাজভবনে বসে উত্তরবঙ্গ বিভাজনের ষড়যন্ত্রকে মদত দিচ্ছেন রাজ্যপাল জগদ্বিপ ধনকর বিস্ফোরক মন্তব্য গৌতম দেবের। বিজেপি রাজ্যের নেতারা কলকাতায় বসে একসুরে কথা বলেছেন আর উত্তরবঙ্গে বিধায়কেরা বিভাজনের সুর গেয়ে চলছেন। সবটাই পদ্ম দলের বঙ্গভঙ্গের ছক, তাদের দলের স্বীকৃত লাইন তাদের এজেন্ডা বলে জানান গৌতম দেব। তিনি বলেন বিজেপিতো তাদের নির্বাচনী ইস্তেহারেই ভেঙে ভেঙে টুকরো টুকরো রাজ্যের কথা বলেছে।
তা যদি না হয় তবে তাদের দলের বিধায়কেরা এই ধরনের কথা বলছেন তখন তারা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছেন না কেন। বুধবার শিলিগুড়ি পুরনিগমের পুর প্রশাসক কক্ষে ক্ষোভ উগড়ে দেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা পুরপ্রশাসক গৌতম দেব। উত্তরকে ভেঙে টুকরো টুকরো করার বিষয় নিয়ে ভোটের ফলাফলের পর থেকেই প্রতিদিন ভাজপা বিধায়কেরা পরিবেশ সরগরম করার চেষ্টা করে চলছেন। জন বারলা বলার পর একের পর এক উত্তরের বিধায়কদের গলায় বাংলা ভাগের সুর।
আর সেই ষড়যন্ত্রকে ইন্ধন দিয়ে চলছেন পলিটিক্যাল ট্যুরিস রাজ্যপাল জগদ্বিপ ধনকর। তিনি রাজ্যপাল জাগদীপ ধনকার কে আক্রমণের নিশানা রেখে বলেন মহাময়ী রাজ্যপাল নিজের দলবল নিয়ে রাজভবনে এসেছেন ও রাজভবনকে বিজেপির শাখা অফিস তৈরি করেছেন। যারা বাংলা ভাগের কথা বলছেন তাদের সঙ্গে সারাদিন রাজ্য বিরোধী শলাপরামর্শ করে চলছেন। যে সময় উত্তরের বিধায়কেরা অর্বাচীনতার পরিচয় দিয়ে এই ধরনের দাবি তুলছেন সেসময় রাজ্যপাল পলিটিক্যাল টুরিস্ট হিসেবে পাহাড়ে এসে বিজেপির ব্লুপ্রিন্ট ধরে কাজ করছেন। রাজভবনটাকে বিজেপি নেতাদের শলাপরামর্শ জায়গায়া পরিণত করেছেন। ওঁর কাজ রাজ্য সরকারকে বিব্রত করে রাখা।
বিজেপি সবটাই প্ল্যানমাফিক করছে নানাভাবে এই ধরনের উষ্কানীমূলক কথা বলে রাজ্যে একটা অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে আর যেকোনো বিষয়কে রাজ্যের সরকারের বিরুদ্ধে রঙে মুড়ে পরিবেশনের জন্য রাজ্যপালকে রেখেছে তারা। একইসঙ্গে তিনি বলেন বিগত এগারো বছরে তৃনমূল ক্ষমতায় আসার পর উত্তরবঙ্গে আস্ত সমস্ত কার্যনির্বাহের জন্য প্রশাসনিক সচিবালয় উত্তর কন্যা তৈরি হয়েছে। উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিনবঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ প্রশস্ত হয়েছে।
প্রচুর উন্নয়ন হয়েছে। অথচ পরপর বিজেপি সাংসদের জিতেছেন অথচ একটা প্রকল্প তারা আনতে পারেননি। পাহাড়ের জন্য অনেক কুম্ভীরাশ্রু ঢেলেছে বিজেপি কিন্তু কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় তৈরি থেকে কোনো প্রতিশ্রুতিই তারা পূরণ করেনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী ডানকানস চা বাগান খোলার কথা বলেছিলেন দুই দফায় ক্ষমতায় থেকেও তার বাস্তবায়ন হয়নি। তারা উত্তরের বঞ্চনার কথা বলছেন। অথচ রাজ্য সরকার উত্তরবঙ্গের জুড়ে প্রচুর বিশ্ববিদ্যালয় করেছে, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হয়েছে।

Post a Comment